শিরোনাম

আজও হ্যারি কেনের আলোই ভরসা ইংল্যান্ডের?


বিশ্বকাপটা দারুন শুরু করেও ইংল্যান্ডকে হারতে হয়েছিল গ্রুপের শেষ ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে। সেদিন কোচ সাউথগেট অধিকাংশ ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়ে খেলতে নেমেছিলেন। ফলে হেরে যান বেলজিয়ামের কাছে। যদিও রটে যায় ইংল্যান্ড শিবির নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের পরাজয় বরণ করে নিয়েছে। যেহেতু সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছানোর রাস্তা মসৃণ হয়ে থাকবে। তবে ইংল্যান্ড যথারীতি এই রটনাকে বাস্তবের অভিমুখ বলে মানতে রাজি নয়।
সমালোচকদের একটাই বক্তব্য, বিশ্বকাপে খেলতে এসে কখনও প্রতিপক্ষ ধরে এগোনো উচিত নয়। ইংল্যান্ড যদি বেলজিয়ামকে হারিয়ে গ্রুপ লিগের শীর্ষে থাকতো, তাহলে মুখোমুখি হতো জাপানের। যারা কলম্বিয়ার থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল। এখন যদি কলম্বিয়ার কাছে কোনও অঘটন ঘটে, তাহলে সাউথগেটকে দাঁড়াতে হবে আসামির কাঠগড়ায়। তাই মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের কাছে ট্রাপিজের ওপর দাঁড়ানোর পরিস্থিতি। যেখানে জিতলে ঠিক আছে, হারলেই ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যাবে।

এখন প্রশ্ন হলো, ইংল্যান্ড কি পারবে কলম্বিয়াকে হারাতে? রেকর্ড বলছে, এই দুই দলের পাঁচবার দেখা হয়েছে। কোনওবারই কিন্তু ইংল্যান্ড হারেনি। তিনবার জিতেছে, দু’বার হয়েছে ড্র। শেষবার দেখা হয় ২০০৫ সালে। সেবার ইংল্যান্ড ৩-২ গোলে জিতেছিল। মাইকেল ওয়েন করেছিলেন হ্যাটট্রিক। এবার ইংল্যান্ড দল দাঁড়িয়ে আছে হ্যারি কেনের আলোয় নির্ভর করে। পানামা ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর, আজ আবার তিনি খেলতে নামবেন।
এখনও পর্যন্ত পাঁচ গোল দিয়ে সোনার বুট পাওয়ার অন্যতম দাবিদার তিনি। তাই এদিন কেনের দিকেই ইংলিশরা গোল পাওয়ার জন্য তাকিয়ে থাকবেন। অন্যদিকে, কলম্বিয়া নির্ভর করবে রাদামেল ফালকাওয়ের ওপর। সেটপিসে কলম্বিয়া এবার পাঁচটার মধ্যে তিনটি গোল করেছে। ইয়েরে মিনা ও দাভিনসন ডিফেন্সে। সেটপিস মানেই খুয়ান ভয়ঙ্কর।
তবে কেনদের জন্য একটা স্বস্তির খবর। ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনে কাফ মাসলে চোট পাওয়ায় অনুশীলন শেষ করতে পারেননি ফরোয়ার্ডের ভরসা হামেজ রদ্রিগেজ। গত ম্যাচেই চোট পেয়েছিলেন তিনি। তাই তাঁকে নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে কলম্বিয়ার।