শিরোনাম

স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে উধাও,অবশেষে অপহরনকারী গ্রেফতার


পটুয়াখালীতে টাউন স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী অনিতা রানী দাস (১৫) কে নিয়ে প্রতারক উধাও। অবশেষে প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী থানা পুলিশ। এ বিষয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সহ সংশোধনী ২০০৩ এর ৭(৩০) ধারায় একটি মামলা হয়েছে। উক্ত আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রতারকে জেল হাজতে প্রেরন করেছেন। প্রতারক হচ্ছেন, পটুয়াখালীর ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের পুকুরজনা গ্রামের মুন্সি বাড়ীর মজিবুল হক মুন্সির ছেলে নাসির মুন্সি (২৫)। এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা অনিল দাস বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। মামলা নং- ১৯৪/১৮। মামলার আসামী হলেন যারা নাসির মুন্সি, মজিবুল হক মুন্সি, নূরজামাল মুন্সি, আবু তালেব মুন্সি, বশির মুন্সি। অনিল দাস প্রতিবেদকে জানান, তার মেয়ে প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফেরার পথে পথিমধ্যে এই পাঁচজন একত্রিত হয়ে তার মেয়েকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেট গাড়ীতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পরে না পেয়ে মামলা করেন। এ বিষয়ে ছাত্রীর মা শিখা রানী দাস প্রতিবেদকে জানান, তার মেয়েকে জোরপূর্বক নাসির মুন্সী সহ তার বাবা ও ভাইয়েরা নিয়ে গেছে। নাসির মুন্সিকে জেল হাজতে প্রেরন করেছে তার বাবা ও ভাইয়েরা মেয়ের বাবা ও তার আত্মীয় স্বজনদের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তার মেয়ে মেধাবী ছাত্রী  যাহাতে এই বখাটে ছেলে এই মেয়েকে আইনের মাধ্যমে তাদের হাতে ফিরিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, আসলেই অনিতা একজন মেধাবী ছাত্রী। এভাবে যদি রাস্তা ঘাট থেকে যদি মেয়েদেরকে তুলে নেওয়া হয় তাহলে অভিভাবরা মেয়েদেরকে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করতে বাধ্য হবে। প্রতারক নাসির মুন্সীর আইনের মাধ্যমে কঠোর বিচার দাবী করেন।