লোকসান গুনতে হচ্ছে উপকূলীয় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের
দশমিনা প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর দশমিনা গলাচিপা সহ উপকূলে চড়া দামে চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে চামড়ার কিনে বিক্রি করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
মৌসুমী চামড়াব্যবসায়ী দশমিনার কবির গাজী, মো. হারুন মিয়া,গলাচিপার ছিদ্দিক,রনগোপালাদি গ্রামের, জয়নাল জানান, আগের বার কিছুটা লোকসান হয়েছিলো। এবার আরো বেশি হবে। কারণ ব্যবসায়ীরা তেমন চামড়া কিনছেন না। তারা এমন দাম বলছে, যা আমাদের কেনা দামের থেকেও দুই – তিনশ টাকা কম। গতকাল তারা ও তাদের সহযোগী মিলে ৩৪০ টার মতো চামড়া কিনেছিলেন। চামড়াগুলো যখন বিকেলে আড়তে নিয়ে যাওয়া হয় আড়তদার যে দাম বললেন তা অবাক হওয়ার মতো। অবশেষে কেনা দামে বিক্রি করে দিলাম, তাও আবার বাকিতে।
এদিকে, আড়ৎদারদের দাবি সরকার ঢাকার বাইরে গরু ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, খাসি ১৮ থেকে ২০ টাকা, বকরি ১৩ থেকে ১৫ টাকা। গতবারের চেয়ে এবার সব চামড়ার দামই কমেছে।সে রেটে তারা চামড়া কিনতে পারছেন না। নির্ধারিত রেটের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ টাকায় বেশি দর দিয়ে চামড়া কিনতে হচ্ছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে চামড়ার মূল্য বেশি থাকায় চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর লবণের দাম বৃদ্ধি মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে।
প্রতিবার শুধু কোরবানি ঈদে দেশের মোট চামড়ার ১৫ থেকে ২০ ভাগ চামড়া সরবরাহ করা হয় উপকূলীয় অঞ্চল থেকে থেকে। কিন্তু ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছে গত বছরের দুইশ’ কোটি টাকা বকেয়া থাকায় চামড়া কিনতে পারছে না তারা।
দশমিনা গলাচিপার চামড়াব্যবসায়ীদের অনেকেই বলেন, আমরা গত বছরের চামড়ার বিল এখনো পাই নি। আর এ বছর চামড়ার দামই কম, সরকারি যে রেট গরু ৩৫ থেকে ৪০ ও খাসি ১৮ থেকে ২০ টাকা বকরি ১৩ থেকে ১৫ টাকা। প্রতি বর্গফুট, কিন্তু মৌসুমিব্যবসায়ীরা এ রেট উপেক্ষা করে চামড়া কেনায় তাদের লোকসান গুণতে হতে পারে।
